বাকেরগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে মায়ের দুইবার অপহরণ নাটক।

0
205


কুয়াকাটা টাইমস ডেস্ক।।

অবশেষে অপহরণ নাটকের অবসান হলো। পুলিশের অভিযানে নানা বাড়ি থেকে উদ্ধার হলো নাতনি।
প্রতিপক্ষকে ফাসাতেই মেয়ের মা অপহরণ নাটক সাজায় বলে জানায় অপহৃত।
মামলার তদন্তকারী বরিশাল বন্দর থানার এস.আই মোঃ আবদুর ছবুর ভিকটিম মোসাঃ নাসরিন আক্তার(১৫) এর জবানবন্দী ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক লিপিবদ্ধকরনের মাধ্যমে জানান, এজাহার নামীয় আসামি মোঃ হারুন মোল্লা (২০) পিতা- মোঃ সিদ্দিক মোল্লা, সাং- কালিদাশিয়া, থানা- বাকেরগঞ্জ জেলা- বরিশাল তার পিতা চাচা এবং ফুফুর সহোযোগিতায় ইং গত ০৭/০৫/১৮ তারিখ সকাল আনুমানিক ৫ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন হিজলতলা সাকিনাস্ত ভিকটিমের নানা মোঃ মুক্তার হোসেন রাঢ়ীর বাড়ির সামনে হইতে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ভিকটিম মোঃ নাসরিন আক্তার এর পিতাঃ মোঃ হানিফ ফকির বাদী হইয়া বিজ্ঞ আদালতে এমপি মামলা নং ৩৮/২০১৮, ধারা-৩২৩/৩৬৪/৫০৬(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বন্দর থানার মামলা নং-৫, ১৩/০৫/১৮, জিআর নং- ৪১/২০১৮ ধারা-৩২৩/৩৬৪/৫০৬(২) দঃবিঃ রুজু হয়। যাহার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলা নং-২৫৯/১৮ এবং শিশু মামলা নং-৩৪১/১৮। মামলাটি তদন্তকালে আসামীগণ বিজ্ঞ আদালতে হাজির হইয়া জামিনে আসে। বিজ্ঞ আদালত ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে রাখেন। ইংরেজি ২৮/০৫/১৮ তারিখ ভিকটিমের বাবা মোঃ হানিফ ফকির নিজ জিম্মায় নেওয়ার জন্য আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত ভিকটিমকে তার বাবার নিকট জিম্মের প্রদান করেন, ভিকটিমের বাবা ভিকটিম নাসরিনকে বাড়িতে না নিয়ে অত্র মামলার ১ নং সাক্ষী মুহাম্মদ ইউনুস মিরা পিতা-মৃত আদম আলী মিরা, সাং-রায়পুরা, (সোনালীপুর) থানা- বন্দর, বিএমপি, বরিশালের বাড়িতে রাখেন। সেখানে অবস্থান করা কালিন ভিকটিম এর মাতা মোসাঃ রোকসনা বেগম এবং অত্র মামলার ১ নং সাক্ষী মুহাম্মদ ইউনুস মিরার এবং আতœীয়দের সহোযোগিতায় আপহরনের নাটক সাজিয়ে সূত্র বর্ণিত মামলার ঘটনার দিন ইংরেজি ২৯/০৬/১৮ তারিখ রোজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭:৩০ ঘটিকায় এজাহারনামীয় ১ নং আসামী মোঃ হারুন মোল্লা(১৯) পিতা- মোঃ সিদ্দিক মোল্লা, সাং- কালিদাসিয়া, থানা- বাকেরগঞ্জ, জেলা- বরিশাল, অন্যান্য আসামিদের সহোযোগিতায় এক নং সাক্ষী মোহাম্মদ ইউনুস মীরা এর বাড়ি হইতে অপহরণ করে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার পুলিশের অভিযানে ভিকটিম নাসরিন আক্তার (১৫) কে বন্দর থানাদিন চরহিজলতলা সাকিনস্ত ভিকটিম এর নানা মোঃ মোক্তার হোসেন রাঢ়ী এর বাড়ি হইতে ইং ২৬/০১/২০১৯ তারিখ ২২:৪০ ঘটিকার সময় উদ্ধার করেন।
এদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত ছয় মাস ধরে আসামীপক্ষকে হয়রানিসহ মিমাংসার জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করে।
আসামি পক্ষের অবিভাবকরা জানান, দুই বার সাজনো অপহরনের ঘটনা ঘটার পরেও ১নং আসামি জেলে এবং অন্যরা রয়েছে পালিয়ে। ening, he had not come in yet, and the leaves had to go out, but he saw Li Wei sitting at the table eating instant noodles. They talked very carefully. Ah San has been away for four months. After sitting down, I started to open the bottle, opened the can, poured the drink, and the enthusiasm on the table infected the leaves.

The bicycle was run over the moonlight, GIAC GPEN Study Guides and the tires seemed to have a GIAC GPEN Study Guides silvery moonlight. At the moment GIAC Information Security GPEN Study Guides she opened the door GIAC Certified Penetration Tester of GIAC Information Security GPEN the ballroom, she heard a cry from the old man I GIAC GPEN Study Guides will wait for you tomorrow night After returning home that night, her heart jumped for a long time. He knew that Ning Hao wanted to do a good job GPEN Study Guides in the trade fair.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here