রাগ এবং তার পর

0
190

কুয়াকাটা টাইমস ডেক্স: রাগ কম বেশি সবারই আছে। কারণে অকারণে আমরা সবাই রাগি। তবে অকারণে কেউ রাগে বলে আমার মনে হয় না। ঘটনার রকমভেদে রাগের তারতম্য হয়ে থাকে। কেউ কখনও রাগেননি এমন ব্যক্তি পাওয়া দুস্কর। বিভিন্ন ধরনের রাগি মানুষ সমাজে হরহামেশাই দেখতে পাওয়া যায়, যেমনঃ কম রাগি, বেশি রাগি, বদ রাগি ইত্যাদি। রাগ ষড় রিপুর একটি বড় রূপ। কিন্তু আমরা কেন রাগি? এর বিভিন্ন কার্যকারন আছে। স্থান, কাল, পাত্রও আছে। আছে বিভিন্ ব্যাখ্যা, মতবাদ, মতভেদ। যিনি যে কারনে রেগেছেন তিনিই এর ভাল বর্ণনা দিতে পারবেন। রাগ না করে থাকতে পারার টিপস কারো কাছে থাকলে শেয়ার করবেন। উপকৃত হবো সবাই। কমরাগি মানুষেরা মুটামুটি আছে। কিন্তু বেশি রাগি আর বদরাগিরা মহা ঝামেলায়। আর রাগ ঝেরে ফেলে দিতে পারলে তো কথাই নেই। কথায় আছে, ” রাগলন তো ঠগলেন

সবারই মাথায় রাখতে হবে, রাগের মাথায় কখনও কোন ভাল কাজ হয় না। রাগে আনন্দ নেই, নেই শান্তি, শীতলতা। আছে রূঢ়তা, হিংস্রতা। রাগের কারণেই খুনখারাপি। আনন্দহীন কোন কাজই ব্যক্তি, সমাজ রাষ্ট্রের সুফল বয়ে আনতে পারে না। তাই রাগ না করে বুঝিয়ে দিবেন। মনের ইচ্ছা শক্তির দ্বারা এমন কঠিন ব্যাধিকে দূর করা কি সম্ভব নয়? আপনি যার উপর রাগলেন, তার চেয়ে কষ্টও আপনি কম পান না কিন্তু। পরক্ষনেই বুঝা যায় যে কারণে রাগলাম সেটা না করলেই ভাল হতো। কিন্তু এই বুঝাটা বুঝার আগেই রাগটা করে ফেললাম এবং এরি সাথে অমঙ্গল সংঘটিত করলাম। আর রাগ আসলেই শরীরে, মননে, চিন্তায় খারাপ রূপ দেখা দেয় এবং ভাষা বিন্যাস তিক্ত হয়।

ফলে একটু কারণেই মধুর মুখ থেকে অশ্রাব্য সুন্দর দেহের অসূর মুর্তি ধারন। যা রাগলেই একমাত্র সম্ভব। ফলে ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে আর নরক যন্ত্রনা তো আছেই। কারণ রাগে দুপক্ষই ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যা প্রেম দিয়ে সম্ভব রাগ দিয়ে অসম্ভব। এবং প্রেমের ফল সর্বদাই মিষ্ট। কোন কারণে কোন সময়ে কারো সাথে রাগ করে থাকলে এই লিখার মাধ্যমে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি। ক্ষমা চাই। ভাল থাকুন সবাই। আসুন আমরা সবাই রাগ না করার চর্চা করি। সর্বশক্তিমান স্রষ্টা আমাদের সহায় হউন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here